৪ ফেব্রুয়ারী কথিত ড্রাইভার মাসুদ রূপক নাম ব্যবহার করে ভূয়া নাম্বার প্লেট বসানো ট্রাকযোগে রূপগঞ্জ সিটি মিল হতে ৩২০ বস্তা চিনি লোড করে নীলফামারী নেওয়ার পথে অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে চিনির বস্তাগুলো আত্মসাৎ করে। যাহার মুল্য ১০ লক্ষ ৫০হাজার টাকা।
পরে খাজা গরীবে নেওয়াজ ট্রান্সপোর্টের মালিক তমিজ উদ্দিন বাদী হইয়া রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলা নং-৩৪(২)১৭ ধারা-৪০৭/৩৪ দঃবিঃ।
মামলাটি ডিবি’র এসআই মফিজুল ইসলাম (পিপিএম) তদন্তবার গ্রহণ করে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ড্রাইভার ও সহযোগীদের সনাক্ত করে ২৬ ফেব্রুয়ারী বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর থানাধীন বীরগ্রাম হতে ড্রাইভার রফিকুল ইসলাম ওরফে মাসুদ ড্রাইভারকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে সে স্বেচ্ছায় কাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে।
পরে তার দেওয়া তথ্য মতে এসআই মফিজুল ইসলাম (পিপিএম), এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই শামীম হোসেন, এএসআই আব্দুর রাজ্জাক ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ২৮ ফেব্রুয়ারী বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জড়িত ০৪ আসামীকে গ্রেফতার করেন এবং ঘটনা সংশ্লিষ্ট সাক্ষী চিনি ক্রেতা ০৪ জন ব্যবসায়ীকে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপনের নিমিত্তে হেফাজতে নিয়ে তাদের দখলে থাকা মোট ১৬৭ বস্তা চিনি উদ্ধার করেন।
আসামীরা হলো শাহজাহানপুর থানার চন্ডিবর গ্রামে মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আঃ সালাম, বগুড়া সদর থানার সুত্রাপুর এলাকার আব্দুস সাত্তার মোল্লার ছেলে জলিলুর রহমান কাজল, ফুলবাড়ীয়া দক্ষিনপাড়া এলাকার আঃ সামাদের ছেলে আলী আহম্মদ এবং দুপচাচিয়া থানার বরিয়া গ্রামের আঃ রশিদের ছেলে মিঠু।



Post a Comment